বিদ্রোহী লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান
বিদ্রোহী লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান

রবিবার, ২৬ জুলাই, ২০২০

মহাকাশ যাত্রা-সঞ্জয় কুমার মুখোপাধ্যায়














মহাকাশ যাত্রা
-সঞ্জয় কুমার মুখোপাধ্যায়


আচমকা শিক দিয়ে টানা মৃতদেহটি,
আমাকে বলে গেল...
আমি যেন লজ্জায় মুখ না ঢাকি !
ওরা কয়েকজন অজান্তেই মৃত্যুর পরে হয়েছে নিরাশ্রয়ে,
ধুলোমাখা মুখগুলোয় শুধুই কান্না হতাশা নিয়ে আছে শুয়ে!


যাদের টেনেহিঁচড়ে তোলা হল অজান্তে,
জানলো না ভর্তি হচ্ছে পৃথিবীর যত ক্ষোভ নিরাশা ।

অসুস্থ এই পৃথিবীতে জীবন এখন বিবর্ণ হয়ে,
কিছু খসে পড়া পাতা !
মানুষের পায়ে তলায় কাদায় ভরা পঙ্কিল তঞ্চকতা ।


হারাচ্ছে ক্রমশঃ জন্ম মৃত্যুর অধিকার,
গড়ে ওঠলো সব স্বপ্নগুলোর মৃত্যু উপত্যকা ।
অপেক্ষায় থাকলাম,
স্বঘোষিত শ্রেষ্ঠত্বের প্রমাণ করতে
এমনটিই কসাইয়ের দোকান তৈরি করে দেবে সভ্যতা ।

আমরা হারাবো পঞ্চভূতে,
চলে যাব মিলনের অন্তিম দিনে দেখবো পৃথিবীর মহাকাশ যাত্রা ।

শনিবার, ২৫ জুলাই, ২০২০

আমার পতাকাটি বুকে নিয়ে - সঞ্জয় কুমার মুখোপাধ্যায়














আমার পতাকাটি বুকে নিয়ে
-সঞ্জয় কুমার মুখোপাধ্যায়

আজ স্বাধীনতা,
বলব হে স্বাধীনতা তুমি দীর্ঘজীবী হও...।

ভাবছি আর লিখবো না এই পরাধীন জীবনে কবিতা,
রোজ ইচ্ছে করে আমার পতাকাকে নিজের বুকে আঁকরে নিতে।
বাহাত্তর বছরের অভিমান সব মুছে দূরে রেখে আজ,
বলব-এই পঞ্চাশে স্বপ্ন ব্যর্থ না সার্থক সেটা এখন প্রশ্ন !

তবু ইচ্ছে ছিল, একটিবার আমার পতাকা বুকে পেলে,
জড়িয়ে নিতাম...নিজের বুকের মাঝে।
হয়তো রোজ রাতের আকাশে অমৃতাংশু জ্যোৎস্না দিত,
জনগণমন-অধিনায়ক জয় হে...
আবহ জাতীয় বুকের মাঝে শুনতে পেতাম।

যদি আমার পতাকাটি বুকে নিতাম,
ভূমিহীন মানুষেরা ঘর বাঁধত,
প্রতিবিম্ব হীনেরা নিজেদের আয়নায় দেখত
রোজ যুদ্ধের ধোঁয়া,ধর্মের গোঁতা খেতাম না।

যদি আমার পতাকা বুকে নিতাম,
রাস্তায় আর লাল আলোর দেখতাম না সমারহ
দেখতাম না সরকারি নল দিয়ে 
অনাদরে বয়ে যাওয়া গঙ্গাজলের প্রবাহ !
দেখতাম না মায়ের বুকের লাঞ্ছনার প্রতিবাদ
সারিবদ্ধ কিছু মোমবাতির আলোয় নিয়ে পথ চলা ।

যদি আমার পতাকা বুকে পেতাম,
সব বেদনা সঞ্চয় করতাম,সবাই মিলেমিশে যৌথ পরিবারে,
আর সব সুখ সমভাবে ভাগ করে নিয়ে যেতাম ঘরে।

তবু বলবো,হে স্বাধীনতা তুমি বেঁচে থাকো
আমার বেঁচে থাকায়, স্বপ্নে, প্রেমে, কলমের লেখায়,
মুখের ভাসায়,যৌবনে লেখা কবিতায় 
ঠিক আমার মতন করে ।



ভুল সংশোধন / সঞ্জয় কুমার মুখোপাধ্যায়














ভুল সংশোধন

সঞ্জয় কুমার মুখোপাধ্যায়

মনে পড়ছে অতীতের একটা সময়,
যখন সবার বুকের বামদিক প্রাধান্য পায়।
আসলে ওটা ভালোবাসবার স্থান,
যেখানে অক্সিজেন বয়ে আনে বিশুদ্ধ প্রেম !

অতীতে সবার মনে আলোড়ন উঠেছিল,
হাত মুষ্ঠিবদ্ধ করে একসাথে পথে হেঁটেছিলাম।
গড়ে তুলেছিলাম এক বিশাল জনশক্তি,
ভুল হলেও স্বীকারোক্তি ছিল,ছিল সংশোধন ।

তারপর আস্তে আস্তে ডানদিক আধিপত্য নেয়,
অবশ্যই কিছু ভুল ছিল ভাবনায় !
এখন অনেকটা চলার পথ পার করে,
সবাই দেখছে কিছু ডানাকাটা পাখির জীবন।

খাঁচা আর গরাদ নতুন কিছু নয়,
নিজ মুখে কমবেশি যারা স্বাধীন,তারাই দেখেছে।
সমষ্টিগত বলে কিছু ভাবলেই ইদানিং পাচ্ছি ভয়,
ভাবছি হয় গারদ না, হলে আইসোলেশনে যেতে হয় !

আমিও এখন তাই ভাবছি,
গণতন্ত্র,প্রজাতন্ত্র নতুন সংজ্ঞা আনছে নিঃশব্দে,
একটা সংক্রমনের শেষদিনে

মানুষ সবকিছু নতুন করে চিনবে মনেপ্রাণে।

https://www.bangla-kobita.com/sanjukolm/error-correction/

শুক্রবার, ১৪ জুন, ২০১৯

ওরা মানব ঈশ্বর গরিবের সম্বল -সঞ্জয় কুমার মুখোপাধ্যায়

















ওরা মানব ঈশ্বর গরিবের সম্বল

      -সঞ্জয় কুমার মুখোপাধ্যায়

এখন এই রোগ দেখছি দিনদিন বাড়ন্ত !
এমন একটা ভাবনা যখন হছে জীবন্ত...
যে খালি ধর্মঘটের বিশ্বাস সবকিছুকে করবে শান্ত ।

ঈশ্বরের পরে যারা পূজনীয়...বলি,
রাজনীতির নাগপাশে হচ্ছেন অসহিস্নুতার বলি ।
ওরা এখন মানুষের মুখোমুখি...।।
পাশে না থেকে শুধুই সংঘাতে মুখাপেক্ষী ।

জীবন যেমন সব সময় দামি,
মৃত্যু কখনো হয় অবশ্যম্ভাবী...।
তাই কথাটা একটু বুঝুন...
আজ অপমান অবিশ্বাস নিয়ে সবাই রাস্তায় করছে আত্মপক্ষ সমর্থন।

ওরাও তো মানুষ তারপর মানব ঈশ্বর,
অন্যায় দিয়ে ছোঁড়া একটা প্রস্তর কখনো হতে পারে না
ওদের পূজার অবলম্বন।

ভুলে গেলে হবে না গরিবদের ওরাই সম্বল,
দুর্দিনের ওরাই মনোবল।

তাই সরকারি রঙ ধর্ম ছেড়ে ,
বোকা বাক্সের উসকানি ভুলে মেরে...
হোক না বন্ধ সরকারি অবহেলা –
অন্যায় আরোগ্য নিকেতনে রাজনীতির খেলা। 


সাম্প্রতিক লেখা কবিতা

ঘর বেঁধেছে ঝড়ের পাখি / রঙ্গনা পাল /পর্ব-৪০

ঘর বেঁধেছে ঝড়ের পাখি/ রঙ্গনা পাল / পর্ব-৪০         অতীত হোক বা বর্তমান নারী চিরকাল পুরুষের ভালোবাসায় বশ। হ্যাঁ কেউ কেউ কখনও কখনও ছলনা করে ...