প্রতিবাদী কবিতা লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান
প্রতিবাদী কবিতা লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান

মঙ্গলবার, ২৮ জুলাই, ২০২০

কারচুপি -সঞ্জয় কুমার মুখোপাধ্যায়














কারচুপি
সঞ্জয় কুমার মুখোপাধ্যায়



অনেকদিন দেখছি লেখকের কলম,
দেখে প্রচুর লোভ হয় !
হাতে তার ঝকঝকে কলম চমকায়,
ওটা দিয়ে জম্পেশ সব লেখা বের হয় ।
আমার কেবল নজর আটকায়,                                                    
বিশেষ করে ওই কলমের লেখাটায়।
যদিও জানি লেখাগুলো লেখকের সন্তান তুল্য, 
তার নিজস্ব ভাবনায়।
তবু পাশের বাড়িতে রোজ চোখ যায়,
ভাঙাচোরা কলম নিয়ে মনের জানালা দিয়ে দেখি অন্ধকার।
তার সন্তানগুলো খেলছে তার খাতার পাতায় পাতায়,
আমিও খালি সুযোগের অপেক্ষায় থাকি ।

এরপর কোন একটা নিঝুম রাত,
মস্তিস্কে কারচুপির যেই করলো আঘাত ;
নিজের কলম খাপে পুড়ে সিঁধ কেটে
লেখকের বাড়িতে ঢুকে দিলাম এক কোপ সপাটে।

সঙ্গে সঙ্গে তার একটি সন্তানের মৃত্যু!

লেখকের কলমের লেখা আমার নাম এখন পেয়েছে  
কিন্তু ছাপার পর সবাই সাক্ষী দিচ্ছে সেটা অবৈধ 
আমি পারছি না পালাতে ......ঘটেছে আমার কলমের মৃত্যু
বুঝলাম না......এই কলঙ্ক যে থেকে যাবে আমৃত্যু ।

সোমবার, ২৭ জুলাই, ২০২০

ও তো কৃষ্ণকলি মহাতো নয়... তবে ? -সঞ্জয় কুমার মুখোপাধ্যায়
















ও তো কৃষ্ণকলি মহাতো নয়... তবে ?
          -সঞ্জয় কুমার মুখোপাধ্যায়

আমি হতে চাইনি
এক লাফে মন্দিরের উচ্চতায় উঠে যেতে।
আমিও এতদিনে হয়েছি সংক্রমিত নেপথ্যে  
তাইতো লোলুপ ভাবনায় ইচ্ছে জেগেছিল তোমার সব অজানাকে জানতে
খ্যাতির চুড়োয় বসে নকল প্রেমিক হতে।

তবু জানতাম, না এটাই আমার স্বভাব, 
চরিত্র নিয়ে আঁকিবুঁকি খেলা আমার তো পেশা আর নেশা।
খেলতে খেলতে বুঝি নি, আবার
কৃষ্ণকলি মহাতো কখন হবে সত্য!
আমি জানতাম এমনটাও হয় ।

শুধু ওরা জানতো না অক্ষর স্রমিকের কলমের সাথে
পরিযায়ী ঘর লাগে, সঙ্গী লাগে ।

 এগুলোই বুঝতে চাইছিলাম
খবরের কাগজের পাতায় পাতায়
টিভির খবর দেখে সময় সময়
সব শুনলাম...

তারপর মনে পড়লো
পাশের বাড়ির ছেলেটাকে পুলিশ নিয়ে গিয়েছিল
সে নাকি পড়তে আসা মেয়েটাকে নষ্ট করতে গিয়েছিল।
মনে হল ও তো কৃষ্ণকলি মহাতো নয়... তবে ?

রবিবার, ২৬ জুলাই, ২০২০

মহাকাশ যাত্রা-সঞ্জয় কুমার মুখোপাধ্যায়














মহাকাশ যাত্রা
-সঞ্জয় কুমার মুখোপাধ্যায়


আচমকা শিক দিয়ে টানা মৃতদেহটি,
আমাকে বলে গেল...
আমি যেন লজ্জায় মুখ না ঢাকি !
ওরা কয়েকজন অজান্তেই মৃত্যুর পরে হয়েছে নিরাশ্রয়ে,
ধুলোমাখা মুখগুলোয় শুধুই কান্না হতাশা নিয়ে আছে শুয়ে!


যাদের টেনেহিঁচড়ে তোলা হল অজান্তে,
জানলো না ভর্তি হচ্ছে পৃথিবীর যত ক্ষোভ নিরাশা ।

অসুস্থ এই পৃথিবীতে জীবন এখন বিবর্ণ হয়ে,
কিছু খসে পড়া পাতা !
মানুষের পায়ে তলায় কাদায় ভরা পঙ্কিল তঞ্চকতা ।


হারাচ্ছে ক্রমশঃ জন্ম মৃত্যুর অধিকার,
গড়ে ওঠলো সব স্বপ্নগুলোর মৃত্যু উপত্যকা ।
অপেক্ষায় থাকলাম,
স্বঘোষিত শ্রেষ্ঠত্বের প্রমাণ করতে
এমনটিই কসাইয়ের দোকান তৈরি করে দেবে সভ্যতা ।

আমরা হারাবো পঞ্চভূতে,
চলে যাব মিলনের অন্তিম দিনে দেখবো পৃথিবীর মহাকাশ যাত্রা ।

শনিবার, ২৫ জুলাই, ২০২০

আমার পতাকাটি বুকে নিয়ে - সঞ্জয় কুমার মুখোপাধ্যায়














আমার পতাকাটি বুকে নিয়ে
-সঞ্জয় কুমার মুখোপাধ্যায়

আজ স্বাধীনতা,
বলব হে স্বাধীনতা তুমি দীর্ঘজীবী হও...।

ভাবছি আর লিখবো না এই পরাধীন জীবনে কবিতা,
রোজ ইচ্ছে করে আমার পতাকাকে নিজের বুকে আঁকরে নিতে।
বাহাত্তর বছরের অভিমান সব মুছে দূরে রেখে আজ,
বলব-এই পঞ্চাশে স্বপ্ন ব্যর্থ না সার্থক সেটা এখন প্রশ্ন !

তবু ইচ্ছে ছিল, একটিবার আমার পতাকা বুকে পেলে,
জড়িয়ে নিতাম...নিজের বুকের মাঝে।
হয়তো রোজ রাতের আকাশে অমৃতাংশু জ্যোৎস্না দিত,
জনগণমন-অধিনায়ক জয় হে...
আবহ জাতীয় বুকের মাঝে শুনতে পেতাম।

যদি আমার পতাকাটি বুকে নিতাম,
ভূমিহীন মানুষেরা ঘর বাঁধত,
প্রতিবিম্ব হীনেরা নিজেদের আয়নায় দেখত
রোজ যুদ্ধের ধোঁয়া,ধর্মের গোঁতা খেতাম না।

যদি আমার পতাকা বুকে নিতাম,
রাস্তায় আর লাল আলোর দেখতাম না সমারহ
দেখতাম না সরকারি নল দিয়ে 
অনাদরে বয়ে যাওয়া গঙ্গাজলের প্রবাহ !
দেখতাম না মায়ের বুকের লাঞ্ছনার প্রতিবাদ
সারিবদ্ধ কিছু মোমবাতির আলোয় নিয়ে পথ চলা ।

যদি আমার পতাকা বুকে পেতাম,
সব বেদনা সঞ্চয় করতাম,সবাই মিলেমিশে যৌথ পরিবারে,
আর সব সুখ সমভাবে ভাগ করে নিয়ে যেতাম ঘরে।

তবু বলবো,হে স্বাধীনতা তুমি বেঁচে থাকো
আমার বেঁচে থাকায়, স্বপ্নে, প্রেমে, কলমের লেখায়,
মুখের ভাসায়,যৌবনে লেখা কবিতায় 
ঠিক আমার মতন করে ।



স্বাধীনতা তোমাকে চাই - সঞ্জয় কুমার মুখোপাধ্যায়













স্বাধীনতা তোমাকে চাই
- সঞ্জয় কুমার মুখোপাধ্যায়

স্বাধীনতা তোমাকে আজ আবার পেলাম,
অনাবৃত দেহ নিয়ে লজ্জায় নত মস্তকে !

দেখি চারিপাশে এখনও চলছে রক্তস্নান,
ছেলে ভোলাবার চাঁদের জয়গান...!

নেই মাটিতে পা ওদের,
           এখনও উঁচু নিচু অসমান্তরাল।
উলঙ্গপনা আর আত্ম‌ অহংকার,
           গড়ছে অহরহ বিভেদ শৃঙ্খল।

স্ত্রীলিঙ্গ নিজেকে হারায় জন্মের সূচনায় ?
হারায় যৌথ সমবায় প্রাদেশিক সীমানায় ?
হারিয়ে যায় একটা শিশু শ্রমের বিনিময়ে ?

স্বাধীনতা তুমি বেঁচে শুধু....
           ফুল ফোটায়,মেঘেদের কান্নায়।
রোজ দিবাকরের আলোতে,
            অমৃতাংশুর জোছনায়।

আমি তাই আজ‌ও স্বাধীন হবার স্বপ্ন দেখি,
আয়নায় বারবার নিজের প্রতিবিম্ব দেখি।



বেঁচে আছি নূন্যতম - সঞ্জয় কুমার মুখোপাধ্যায়















বেঁচে আছি নূন্যতম

- সঞ্জয় কুমার মুখোপাধ্যায়


ঝড় এসেছিল চলেও গেছে বহুক্ষণ,
কেবল নাড়িয়ে দিয়ে গেল বেশকিছু মন!
জলমগ্ন রাস্তায় পড়ে থাকা নিথর মৃতদেহ,
বৈদ্যুতিক পোলে চাপা পড়া বিদ্যুৎপৃষ্ট দেহ
অনেককিছু বলে দিয়ে যায়,
          নিশ্চয়ই বাড়াচ্ছে মনের সন্দেহ ?

চারিপাশে মাটির ঘরের মাটিতে মিশে যাওয়া,
টিনের চাল উড়ে যেতে বিনিদ্র প্রহর কাটা
এতোকিছু যখন চোখের দৃষ্টিতে হচ্ছে অমূলক
রাজকক্ষে বসে মিথ্যাই বলে চলুক খলনায়ক !

রক্ত না ঝরলে ধরতে হবে ক্ষতি নূন্যতম,
নূন্যতম ক্ষতিগ্রস্ত মনে বিষাদের ছায়াও হয় নূন্যতম!

সবেতেই ইচ্ছেগুলো চাওয়া পাওয়ার কব্জা,
তাই কি হঠাৎ উড়ে গেল মন্দিরে বিশ্বাসের ধ্বজ্জা,
বোঝো ক্রমশ কেন ভাঙছে মানুষের মানবিক মজ্জা।
এতটুকু কি নেই এদের মনে বিন্দুমাত্র লজ্জা !
শুধুই কি উড়াতে হবে আপন বিজয়ের ধ্বজ্জা ?

এদের খালি পড়ে আছে অনেকদিনের বেহিসাবি পরিচর্যা,
গড়ে ওঠা বন্ধুত্বের সম্পর্কগুলো নিয়ে মিথ্যার সজ্জা।

এখন শুধু চারিপাশের যারা না মরে বেঁচে নূন্যতম,
রক্তাক্ত হয় নি হয়তো এখনো নূন্যতম  ,
তাই মৃত্যুর সাক্ষী নিয়ে বেঁচে আছে নূন্যতম ।


শনিবার, ২৩ মে, ২০২০

বিপ্লব / সঞ্জয় কুমার মুখোপাধ্যায়












বিপ্লব
সঞ্জয় কুমার মুখোপাধ্যায়

বিপ্লব এমনিতে সহজে আসে না,
টিফিনে কলেজের ক্যানটিনে টেবিল বাজিয়ে নয়।
পাড়ার মোড়ে দাঁড়িয়ে শেখানো কপচানোতে নয়,
ক্লাবের মাতব্বর হয়ে শিখিয়ে পড়িয়ে
গণসঙ্গীত গেয়ে দিলেও নয় !

বিপ্লব কোনদিন আসেও নি,
এইভাবে আসবেও না ।
পূজোর সময় মাওসেতুং বই বেচাকেনা,
ঘরে ঘরে কৌটো নিয়ে লিফলেট বিলি করা
সবসময় বিপ্লবীদের বিপ্লব মেরেছে !

পৃথিবীর ইতিহাসে সাক্ষী...
বিপ্লব আসে দৈন্যতায়,
সমষ্টিবাদ নিয়ে সাম্যের ভাবনায় !
একটা স্যাঁতসেঁতে ঘরের চালা ফুটো হয়ে,
সারা ঘর জলে ভেসে গেলে মনের আঙ্গিনায়।

বিপ্লব আসে সারাদিন পর দুবেলা খেতে না পেলে,
ঘরে বাইরে রোজ গনতন্ত্রের ধর্ষণ হলে !
বিপ্লব আসে খিদের তাড়নায় পেটের জ্বালা উঠলে।

স্বাধীনতা এতগুলো দিন শুধু দিচ্ছে,
ছোট মাঝারি সাইজের এক একটা বাঁধন
তাই বেশকিছু মনে জাগছে তুষের আগুন ।

বিপ্লব আসে সাগরের ঢেউ কে সাথে করে,
নোনা বালির সমুদ্রতটে পায়ে হেঁটে ফিরে ।
বিপ্লব আসে লালমাটির পোড়া গরমে বারুদের গন্ধে,

অন্ধকার হতে আলোর দিকে পথ চলাতে ।

চিরঘুমের রাত / সঞ্জয় কুমার মুখোপাধ্যায়

















চিরঘুমের রাত
সঞ্জয় কুমার মুখোপাধ্যায়


সময় দূরে গেছে সরে
প্রকৃতির হতে অনেকটা দূরে !
যেমনটি গেছে তোমার রাজ সিংহাসন,
শুধু জমানো সম্পদের করছো রক্ষণ 
তুমি হতে পারো নি কারোর,
না কৃষকের, না শ্রমিকের, না মানুষের।
হয়ে উঠেছো পৈশাচিক এক রক্তচোষা বাদুর
প্রত্যহ করছো শোষণ, গুনছি প্রহর।
তাই এখন এই লক্ষণগুলো হয়েছে প্রকট,
বড় বড় গর্তের মধ্যে লুকিয়ে মৃত্যু, সবার সন্নিকট  !
ভেবে দেখো ভারার ঘর সবটাই হবে শূন্য,
তোমার সবুজ  কাগজের নৌকাগুলো অসম্পূর্ণ।
রোজ তোমার স্বপ্নের কথা শুনছি বিকট,
আমরা অন্ধ ফকির হয়ে যাচ্ছি নিকট !
তবু আমরা এগিয়ে চলেছি ভুলে জাতপাত,
আসতে আসতে কাছে আসছে চিরঘুমের রাত !
তবু আমরা চেয়েছিলাম,
"অসতো মা সৎ গময়, তমসো মা জ্যোতির্গময়,
মৃত্যোর্মা অমৃতং গময়।
ওঁ শান্তিঃ ওঁ শান্তিঃ ওঁ শান্তিঃ”

(ঈশ্বর আমার সীমান্ত ফিরিয়ে দাও কাব্যগ্ৰন্থ থেকে)

শুক্রবার, ২২ মে, ২০২০

অভিব্যক্তি ন্যূনতম / সঞ্জয় কুমার মুখোপাধ্যায়
















অভিব্যক্তি ন্যূনতম
সঞ্জয় কুমার মুখোপাধ্যায়


কথায় আছে নুন আনতে পান্তা ফুরোয়,
সেটা জোগাড় করতে মানুষ যখন সময়ের অপেক্ষায়।

এমনই সময় এই ঝড়,
এবার শুনলাম সে নাকি মরেছে।
তবে মরণ কামড় বসিয়ে গেছে আগেপিছে !

সবটা দেখে আমরা স্তম্ভিত,
দেখলাম ঝড়ের তাণ্ডবে বড় বড় গাছ এখন ভূপতিত,
জমি হতে উপড়ে নিয়েছে গভীর শিকড় কতশত !

মাটির ঘর, টিনের ছাদ
সব উড়ে গেছে চারিদিকে ছড়িয়ে-ছিটিয়ে শতাব্দীর বিষাদ।
দেখছি জলের নিচে,পোলের  তলায় মৃতদেহ,
তবুও অদ্ভুত ভাবে কেউ করছে সন্দেহ !

এদের মনে নূন্যতম হিন্দোল নেই  বিন্দুমাত্র,
মনে হয় রক্তের বন্যা বইলে ভালোই হতো।
তাই তো এতো সহজে বলা যায় - ক্ষয়ক্ষতি ন্যূনতম,
পড়ে থাকা সবুজেরা মুখ বুজে গিলে নিল কথাটা
যেহেতু ওদের অভিব্যক্তির প্রকাশ ছিল ন্যূনতম ।

তবে আমাদের নয়,
আমাদের মনে আছে বিষাদের ছায়া
চোখে আছে অন্যায়-অবিচারের বিপক্ষে মানবিকতার মায়া।

মঙ্গলবার, ১৪ এপ্রিল, ২০২০

নিঃস্তব্ধ নৈরাজ্য-সঞ্জয় কুমার মুখোপাধ্যায়














নিঃস্তব্ধ নৈরাজ্য
সঞ্জয় কুমার মুখোপাধ্যায়

একক হতে সহস্র লাখ,
সূচনা যেখানে শূন্য ।
বুঝতে কতই না সহজ,
তবু হয় না কেন‌ বোধগম্য !

কাগজে কলমে পরিসংখ্যান যত,
রবারের ব্যবহারে সেটিই মিথ্যা,অসামান্য !
যতই দেখাতে চাও না কেন,
সবটাতেই পাচ্ছি খুঁজে তারতম্য। 

গরিবের থালায় দুবেলার খাদ্যে, 
পাচ্ছি অমিল,চলছে চরম নিস্তব্ধে নৈরাজ্য।
ব্যারিকেড না মেনে কেটেছে হাত, 
দেশের কোন এক অসহ্য অবাধ্য !

ঘরের সমস্যা যখন বিদেশ মেটাবে
তুমি কি তবে অদৃশ্য প্রতিশ্রুতিবদ্ধ ?
সবটাই যদি চলছে ঠিক তবে প্রশ্ন,
গঙ্গাবক্ষে কুন্তী সমেত পঞ্চ পান্ডবের জীবন 

কেন হলো বিপন্ন ?

শনিবার, ২৮ সেপ্টেম্বর, ২০১৯

তোদের হাতে সময় আছে- সঞ্জয় কুমার মুখোপাধ্যায়














মঙ্গলকোট.কম
হোম
তোদের হাতে সময় আছে - সঞ্জয় কুমার মুখোপাধ্যায়
Saturday, 28 Sep, 1.10 am


সেদিনে কলেজের অন্দরমহলে,
যারা ভাঙা-গড়ার খেলায় ছিল মত্ত !
তাদের বলছি.

বৃষ্টির আগে আকাশের মেঘ ছিল কালো,
নোংরা মাটিও ছিল।
আমরা জানতাম বর্ষা এলে সবটাই ধুয়ে হবে পরিষ্কার,
আকাশ দেবে আলো স্বচ্ছতার সাগর।

গাছের পাতা ঝড়ে পড়ে,
আবার কচিপাতা আসে নতুন,
সবটাই পুরাতনের নবীকরণ।

আমারা আছি সেই পথে, মাটিতে মিশেও যাই,
আবার আসি নতুন করে পরিচয় খুঁজে পাই !
শুধু তাঁর কাজ,ভাবনা ব্যবহার খুঁজে ফিরে বেড়াই ।

সাগর তাঁর বিশাল জলরাশি নিয়ে শরীরে বইছেন,
তাঁর দয়ায়, জলবিন্দু মনের মধ্যে আঁকে অক্ষরমালা।
তাই এখনও তোমরা যদি সময় পাও,
একমুঠো জল নিয়ে মুখে দিও ।
তাহলে পাবে তোমাদের পিতার রচিত শব্দের তর্পণ।।





https://m.dailyhunt.in/news/india/bangla/mongalkote+com-epaper-maglkot/toder+hate+samay+aache+sanyjay+kumar+mukhopadhyay-newsid-138992320?pgs=N&pgn=7&tk=0&mode=wap&s=dux&ss=pd



বৃহস্পতিবার, ১৮ জুলাই, ২০১৯

মন যা চায় -সঞ্জয় কুমার মুখোপাধ্যায়


















মন যা চায়
-সঞ্জয় কুমার মুখোপাধ্যায়

আর কোনো প্রশ্ন নেই...
হয়তো যার কোনো উওর নেই !
মন এখন-
              আস্তে আস্তে মাধ্যাকর্ষণ ছাড়ছে,
              অভিকর্ষের ভবিষ্যৎ বার্তা গড়তে।

এখন শূন্য এখন সবচেয়ে কাছের নম্বর ,
তাই নিশ্চুপ চন্দ্রহীন রাত্রি একমাত্র অবলম্বন !

যখন মস্তিষ্কের পাল্লা ভারি,
কেন হৃদয়ের ভিতরে গুমরে মরি ?
বলবো মন যা চায় করি।

সবেতেই শূন্য যেটা অবসম্ভাবী,
এই বিশ্বাস রেখেই না হয় চলি।


মঙ্গলবার, ১৬ জুলাই, ২০১৯

স্বার্থপরতায় ডুববো-সঞ্জয় কুমার মুখোপাধ্যায়











স্বার্থপরতায় ডুববো
         -সঞ্জয় কুমার মুখোপাধ্যায়


মাথা অবধি না হয় ডুবলাম,
ভাবছি দেখি না কেমনটা হয় !
এতদিন শুধু স্বপ্নের ভাবনাতে ভেসেছি,
তাই জীবনের জমা-খরচের হিসেব নেই।

একসময় সবাই বলতো ভালো,
আদর,আপ্যায়ন,নিমন্ত্রণ সবই ছিলো যেমন দিনের আলো।
জীবনের প্রথমার্ধে বোধহয় এমনটাই হয় !
এবার হয়তো এক আঘাতে ডুববো।

সবশেষে একটা মুক্তির,স্বাধীনতার আনন্দ আছে,
কিন্তু সে আর বুঝবে কে ‌?
হোক না তাতে স্বার্থের বলি আশেপাশের সব ।

একরকম জীবন যে সবার জন্য নয়,
তাই এবার নিশ্চিত স্বেচ্ছায় ডুববো ।
আমি যে এখন সবকিছু ছেড়ে স্বার্থপর,
তাই এবার গ্যারান্টি দিচ্ছি নিশ্চিত আমি ডুববো।


https://www.bangla-kobita.com/sanjukolm/sink-into-selfishness/

শুক্রবার, ১২ জুলাই, ২০১৯

সবুজের পরিচর্যা - সঞ্জয় কুমার মুখোপাধ্যায়















সবুজের পরিচর্যা

         -সঞ্জয় কুমার মুখোপাধ্যায়


সবুজের পরিচর্যা করো,
এনে নিজের ঘরে,বাগানে বসাও।
ওদের সবুজকে মনের গভীরে নাও,
নিজের মনুষ্যত্ব জাগাও।

রোগ মুক্তির জন্য ওদের দরকার,
এখানে এখন আর সবুজ নেই কোথাও।
এখানে শুধু কালো ধোঁয়ার বলয়,
রোগের অভিশপ্ত দাবীকে গিলে খাওয়া দেখা যায় ।

সবুজের খরা চলছে মানবতায়,
তাই গাছ তুলে আনো,ঘরে এনে বসাও।
 চোখ যে সবুজ হতে চায়,
দেহ হতে চায় সবুজে ঘেরা মহীধর ।

আমরা নতুন করে বাঁচতে চাই,
শুধুই সবুজ মন নিয়ে এগিয়ে যেতে চাই।


বুধবার, ১৬ অক্টোবর, ২০১৩

নির্ভয় প্রতিবাদী-সঞ্জয় কুমার মুখোপাধ্যায়



















নির্ভয় প্রতিবাদী

সঞ্জয় কুমার মুখোপাধ্যায়


আমি প্রতিবাদী,আমি সত্যান্বেষী,

সদ্য সকালের কাগজ পড়ে হয়েছি আমি প্রতিবাদী ।


সেদিন ছিল এক কালো রাতের পরে সদ্য প্রভাতকাল,

যেন সব কিছু হয়ে গেছে সে এক ওলট পালটের সকাল।

অভিশপ্ত,দুর্বিষহ,দুঃস্বপ্নের রাত্রি কেটেছে তাঁর,

নিস্তব্ধ সেই রাতে, ফিরে আসেনি কেউ বাঁচাবার,

ছিল না যে কোনো মানব দরদী, আমি তাই প্রতিবাদী ।


পরনে ছিল শুধু লাল রঙের রক্তে ভেজা কাপড়,

যেটা পেয়ে ছিলো গতবারের পুজোর,

অদম্য যে বাঁচার ইচ্ছা ছিল তাঁর

চারিদিকে যেন শুধু ছড়িয়ে আছে কালো বিভীষিকাময় অন্ধকার  

নির্মম,বর্বর ছিলো তারা, তাঁর মনকে করেছিল বহুবার

যেন কোন অভিশাপের ফল,আমি তাই প্রতিবাদী ।

সময় গেছে, কাল গেছে , হয়েছে বহুদিন

আর কত কাল তাঁর মত জীবন হবে জীয়নহীন

মানুষ তো করে প্রতিবাদ, কিন্তু রাজা তো করে শুধু পারিষদ গঠন।


রায় দেয় তারা নিজের মতন হয় না কোনও প্রকৃত সাজার 

মিথ্যা যেন এই প্রহসন,আমি তাই প্রতিবাদী ।

নির্ভীক ছিল সে, ছিল সে নির্ভয়া  

করেছিল লড়াইয়ের চেষ্টা, জিতেও ছিল হয়ত 

রাজা চেষ্টা করল অনেক হল আলোড়ন, হল উৎপীড়ন

সবই তো হল ঢাকা দেওয়ার খেলা আভরণ  

কিন্ত দিল না বাঁচতে তাকে ,আমি তাই প্রতিবাদী ।

জগত থেকে এই অভিশাপ মুছে যাবে যত কালো ছায়া,

মুক্ত আকাশ , শুদ্ধ বাতাস কবে পাবে আগামীদিনের নির্ভয়া

ধ্বংস হতে নাই বা দিলেম সৃষ্টির এই মায়া


আমি তাই প্রতিবাদী, আমি তাই প্রতিবাদী ।



সাম্প্রতিক লেখা কবিতা

ঘর বেঁধেছে ঝড়ের পাখি / রঙ্গনা পাল /পর্ব-৪০

ঘর বেঁধেছে ঝড়ের পাখি/ রঙ্গনা পাল / পর্ব-৪০         অতীত হোক বা বর্তমান নারী চিরকাল পুরুষের ভালোবাসায় বশ। হ্যাঁ কেউ কেউ কখনও কখনও ছলনা করে ...