মানবতার কবিতা লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান
মানবতার কবিতা লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান

রবিবার, ২৬ জুলাই, ২০২০

বিশ্বাসে নিঃশ্বাস -সঞ্জয় কুমার মুখোপাধ্যায়















বিশ্বাসে নিঃশ্বাস
         -সঞ্জয় কুমার মুখোপাধ্যায়

বিশ্বাস নিঃশ্বাসের মতন,
যাওয়া আসার পথে একটা নিয়ম চাই।
একটু এদিক ওদিক হলেই,
হয় পদস্খলন,না হলে মরণ ।

শিকড়ের পচনের কেউ খোঁজ রাখি না,
খালি ভাবি নতুন পাতা আসছে কি ?
আমরা শুধু ফুল ফল নিয়ে বেঁচে থাকি !
অথচ ভিত্তিপ্রস্তর নিয়ে মাথা ঘামাই না।

স্তম্ভের উপর যে ভবিষ্যত মজবুত করে গড়ে,
তাকে হারিয়ে ফেলি ক্রমশই ।
অবিশ্বাস এখান ওখানে হাঁতরে বেড়াই,


শেষমেশ দমবন্ধ পরিবেশে সবটাই মারা পড়ে।













শনিবার, ২৫ জুলাই, ২০২০

ঈশ্বর থাকুন না হয় দূরে - সঞ্জয় কুমার মুখোপাধ্যায়















ঈশ্বর থাকুন না হয় দূরে
সঞ্জয় কুমার মুখোপাধ্যায়

ঈশ্বর স্বপ্নে এসেছিলেন,
একদিন কাকভোরে দেখা দিয়েছিলেন ।
পদতলে ধূলিকণা মেখে এলেন...
বললেন সেগুলো‌ দেবেন
লেগে আছে পদধূলি সবাইকে দেবার।

কিন্তু একি ! ঈশ্বরের চোখে জল ?
      ঈশ্বর এখন পরিশ্রান্ত রঙ মেখে,
বিভিন্ন বেশভূষা সেজে মানুষের অত্যাচারে !

তিনি একদিকে দুধ গঙ্গায় অভিষিক্ত,
অন্যদিকে নিয়মাবিধিতে রক্তাক্ত।
কোথাও চাদরে তার দমবন্ধ,
দেশে দশে ..
ছড়িয়ে ছিটিয়ে খালি তার গায়ে পায়ে বারুদের গন্ধ।

ঈশ্বর আছেন
   সবার মনে খোলা মাঠে ঘাটে পুকুরে ।
বন্ধ মনের খোলা জানালাতে,
সবুজ মনে বা  শষ্য-শ্যামল ক্ষেতে।

তিনি মানুষের উর্ধ্বে,
সমাজের উপরে থাকেন।
এখন শুধুই স্বপ্নে আসেন আর চলে যান।

দুরত্ব‌ই ভালো, বেশি কাছে থাকলে
আবার পড়বেন নিয়মের বেড়াজালে।
তাই বললাম থাকুন দূরে, দেখি না হয় স্বপ্নে
সম্পর্কটা তো টিকে থাকুক অন্তত মনে।


বেঁচে আছি নূন্যতম - সঞ্জয় কুমার মুখোপাধ্যায়















বেঁচে আছি নূন্যতম

- সঞ্জয় কুমার মুখোপাধ্যায়


ঝড় এসেছিল চলেও গেছে বহুক্ষণ,
কেবল নাড়িয়ে দিয়ে গেল বেশকিছু মন!
জলমগ্ন রাস্তায় পড়ে থাকা নিথর মৃতদেহ,
বৈদ্যুতিক পোলে চাপা পড়া বিদ্যুৎপৃষ্ট দেহ
অনেককিছু বলে দিয়ে যায়,
          নিশ্চয়ই বাড়াচ্ছে মনের সন্দেহ ?

চারিপাশে মাটির ঘরের মাটিতে মিশে যাওয়া,
টিনের চাল উড়ে যেতে বিনিদ্র প্রহর কাটা
এতোকিছু যখন চোখের দৃষ্টিতে হচ্ছে অমূলক
রাজকক্ষে বসে মিথ্যাই বলে চলুক খলনায়ক !

রক্ত না ঝরলে ধরতে হবে ক্ষতি নূন্যতম,
নূন্যতম ক্ষতিগ্রস্ত মনে বিষাদের ছায়াও হয় নূন্যতম!

সবেতেই ইচ্ছেগুলো চাওয়া পাওয়ার কব্জা,
তাই কি হঠাৎ উড়ে গেল মন্দিরে বিশ্বাসের ধ্বজ্জা,
বোঝো ক্রমশ কেন ভাঙছে মানুষের মানবিক মজ্জা।
এতটুকু কি নেই এদের মনে বিন্দুমাত্র লজ্জা !
শুধুই কি উড়াতে হবে আপন বিজয়ের ধ্বজ্জা ?

এদের খালি পড়ে আছে অনেকদিনের বেহিসাবি পরিচর্যা,
গড়ে ওঠা বন্ধুত্বের সম্পর্কগুলো নিয়ে মিথ্যার সজ্জা।

এখন শুধু চারিপাশের যারা না মরে বেঁচে নূন্যতম,
রক্তাক্ত হয় নি হয়তো এখনো নূন্যতম  ,
তাই মৃত্যুর সাক্ষী নিয়ে বেঁচে আছে নূন্যতম ।


শুক্রবার, ২২ মে, ২০২০

অতিথি দেব ভব ? / সঞ্জয় কুমার মুখোপাধ্যায়
















অতিথি দেব ভব ?
সঞ্জয় কুমার মুখোপাধ্যায়

সবাই যেন অপেক্ষায় আছি
খালি মনে ভয় এই নতুন অতিথিকে নিয়ে,
এই বোধহয় না বলে এসে গেলেন!
পান থেকে চুন খসলেই ভাবি,
এই বোধহয় ঘর দখল করে জায়গা করে নিলেন ।
সকাল বিকেল এক কথা,
হাতে পায়ে লোশন মেখে
নিজেকে ফিটফাট রেখে নিয়মবিধি মাথায় রেখে
পথ চললেও চারপাশে বিভীষণ নিয়ে মাথা ব্যথা।
পছন্দের সিংহাসনে তিনিই বিধাতা,
আমরা শুধু নানান ফুল দিয়ে তুষ্ট করছি মাত্র।
তবু নাক- মুখ -চোখ -কান বন্ধ ক"রে
একমনে “অতিথি দেব ভব” না বলে,
তার দুর্নাম করে চলেছি দিবারাত্র !

তবু কিনে চলেছি একের পর এক মারণাস্ত্র।
বলছি চোখের সামনে থেকে দূর হও ঘরের বাইরে যাও,
আসলে অতিথির তাৎপর্য পালটে গেছে এক লহমায়!
পৃথিবীর চোখে আঙ্গুল দিয়ে অতিথি দেখাচ্ছে বিজ্ঞানের দৌড় এই সময়
সবটা দেখে মনে হচ্ছে সর্ব শক্তিমানেরা আজ বড়ই অসহায় !

ওরা ভাবছে না একবার "অতিথি দেব ভব" ?

মঙ্গলবার, ৭ এপ্রিল, ২০২০

বাঁচবেই শহর চিরকাল-সঞ্জয় কুমার মুখোপাধ্যায়
















বাঁচবেই শহর চিরকাল
সঞ্জয় কুমার মুখোপাধ্যায়

চেনা শহরের
গতি অগ্ৰগতি হয়েছে নিস্তব্দ ।
দিনগুলো ক্রমশঃ নৈঃশব্দ্যে পরিপূর্ণ
চেনা মুখ অচেনা মুখ সব ঐক্যবদ্ধ !

এক একটা ভয়ের অশনিসংকেত,যত খেদ
ঘন্টা মোমবাতির আলোয় আনছে বিভেদ !
তবু শত শ্বাসকষ্টে এতো মুখের হাসি
পড়ার মোড়, ঘরের দোর এখন‌ সব পাশাপাশি।

শুধু লোকগুলো আছে দূরে
প্রাণের তাগিদে একে অপরের বৃত্ত ঘিরে ।
পৃথিবীতে অচেনা কথা উড়ছে হাওয়ায়,
নতুন করে দেখছি মেধার অপচয় ।

জন্মের সময় নাকি হয় মৃত্যু দিন ছিল নিশ্চিত,
আচমকা হাতছানিতে তাই শুনি সাম্যের সঙ্গীত।

 তাই জানি,শুনছি বহুকাল
চাল ডাল কিছুর ছিলোনা অভাব আজন্মকাল ।

তবু একটা চুড়ান্ত ক্ষমতার নেশায়,
সবকিছু ছেয়ে দিচ্ছে নিস্তব্ধ নিরাশায় ।

তবে এই শহরকে আমি চিনি চিরকাল,
আমি জানি আনন্দের এই শহর লড়াইতে সবল।
এই শহর নিশ্চিত বাঁচবে ততকাল,
যতদিন সৌরমন্ডলে সত্য গ্ৰহকাল।






শনিবার, ২৮ সেপ্টেম্বর, ২০১৯

তোদের হাতে সময় আছে- সঞ্জয় কুমার মুখোপাধ্যায়














মঙ্গলকোট.কম
হোম
তোদের হাতে সময় আছে - সঞ্জয় কুমার মুখোপাধ্যায়
Saturday, 28 Sep, 1.10 am


সেদিনে কলেজের অন্দরমহলে,
যারা ভাঙা-গড়ার খেলায় ছিল মত্ত !
তাদের বলছি.

বৃষ্টির আগে আকাশের মেঘ ছিল কালো,
নোংরা মাটিও ছিল।
আমরা জানতাম বর্ষা এলে সবটাই ধুয়ে হবে পরিষ্কার,
আকাশ দেবে আলো স্বচ্ছতার সাগর।

গাছের পাতা ঝড়ে পড়ে,
আবার কচিপাতা আসে নতুন,
সবটাই পুরাতনের নবীকরণ।

আমারা আছি সেই পথে, মাটিতে মিশেও যাই,
আবার আসি নতুন করে পরিচয় খুঁজে পাই !
শুধু তাঁর কাজ,ভাবনা ব্যবহার খুঁজে ফিরে বেড়াই ।

সাগর তাঁর বিশাল জলরাশি নিয়ে শরীরে বইছেন,
তাঁর দয়ায়, জলবিন্দু মনের মধ্যে আঁকে অক্ষরমালা।
তাই এখনও তোমরা যদি সময় পাও,
একমুঠো জল নিয়ে মুখে দিও ।
তাহলে পাবে তোমাদের পিতার রচিত শব্দের তর্পণ।।





https://m.dailyhunt.in/news/india/bangla/mongalkote+com-epaper-maglkot/toder+hate+samay+aache+sanyjay+kumar+mukhopadhyay-newsid-138992320?pgs=N&pgn=7&tk=0&mode=wap&s=dux&ss=pd



মঙ্গলবার, ৩০ জুলাই, ২০১৯

হারিয়ে না যাই -সঞ্জয় কুমার মুখোপাধ্যায়










হারিয়ে না যাই

-সঞ্জয় কুমার মুখোপাধ্যায়


দুই হাতে অজান্তে কালি মেখেছি,
                           বহুদিন হলো ।
তবু ভাবনাগুলো অধরা ছিল,
       দূরে রেখেছিলাম নিজেকে ।

এখন পাহাড় চূড়া থেকে নিচে দেখলে
                         অতল গহ্বর দেখি ।
ভাবী হারিয়ে গেছি গহন অন্ধকারে,
      গভীর গাছের নিচে পাথরের মত।

শখ আল্লাদ পূরণ হয় না সবার,
              দুটো মানুষ যখন ভিন্ন।
তবু গাছের গভীরতা শান্তির ছায়া দেয়,
            মানুষ হবার পথ দেখায়।

পাছে হারিয়ে না যাই গহন অন্ধকারে।



https://www.bangla-kobita.com/sanjukolm/do-not-get-lost/

সোমবার, ২৯ জুলাই, ২০১৯

ফিরে আসা -সঞ্জয় কুমার মুখোপাধ্যায়













ফিরে আসা
-সঞ্জয় কুমার মুখোপাধ্যায়




একটা নদী বয়ে গেছে,
কিছু জমা নুড়ি পাথর ভাসিয়ে নিয়ে।
কিছুকাল সুখ ভোগ করে এখন সে রিক্ত,
অতিবৃষ্টিতে ক্যানেলের বাঁধ ভেঙ্গে সে পরনির্ভভর,
তবু তার মন পাওয়া খুব কষ্টকর ।

তবু সেই পথ ধরে গেছি মন পেতে,
যদি আর কষ্ট দিতে পারো কষ্ট দাও !
সুখে থাকতে চাইলে সুখে থাকো,
আমার দরজা জানলা সব রোজ খোলা ।

আমি থাকবো আকাশের নিচে,
            ঘরে বকুলের গন্ধে মনে‌ নিয়ে।
আমি শুধু..
ভালোবাসি পাড়ে বসে থাকাতে পাথরের মতো।
নদীর জল যদি একবার বাড়ে,
বলবো সঙ্গে এসো, কাছে এসে একবার দেখো ।

একসাথে ভেজবার ইচ্ছে হলে,
দেখবে নদীর জলে শ্রাবনের বৃষ্টি ফিরে পাবে।


বৃহস্পতিবার, ১৮ জুলাই, ২০১৯

মন যা চায় -সঞ্জয় কুমার মুখোপাধ্যায়


















মন যা চায়
-সঞ্জয় কুমার মুখোপাধ্যায়

আর কোনো প্রশ্ন নেই...
হয়তো যার কোনো উওর নেই !
মন এখন-
              আস্তে আস্তে মাধ্যাকর্ষণ ছাড়ছে,
              অভিকর্ষের ভবিষ্যৎ বার্তা গড়তে।

এখন শূন্য এখন সবচেয়ে কাছের নম্বর ,
তাই নিশ্চুপ চন্দ্রহীন রাত্রি একমাত্র অবলম্বন !

যখন মস্তিষ্কের পাল্লা ভারি,
কেন হৃদয়ের ভিতরে গুমরে মরি ?
বলবো মন যা চায় করি।

সবেতেই শূন্য যেটা অবসম্ভাবী,
এই বিশ্বাস রেখেই না হয় চলি।


মঙ্গলবার, ১৬ জুলাই, ২০১৯

স্বার্থপরতায় ডুববো-সঞ্জয় কুমার মুখোপাধ্যায়











স্বার্থপরতায় ডুববো
         -সঞ্জয় কুমার মুখোপাধ্যায়


মাথা অবধি না হয় ডুবলাম,
ভাবছি দেখি না কেমনটা হয় !
এতদিন শুধু স্বপ্নের ভাবনাতে ভেসেছি,
তাই জীবনের জমা-খরচের হিসেব নেই।

একসময় সবাই বলতো ভালো,
আদর,আপ্যায়ন,নিমন্ত্রণ সবই ছিলো যেমন দিনের আলো।
জীবনের প্রথমার্ধে বোধহয় এমনটাই হয় !
এবার হয়তো এক আঘাতে ডুববো।

সবশেষে একটা মুক্তির,স্বাধীনতার আনন্দ আছে,
কিন্তু সে আর বুঝবে কে ‌?
হোক না তাতে স্বার্থের বলি আশেপাশের সব ।

একরকম জীবন যে সবার জন্য নয়,
তাই এবার নিশ্চিত স্বেচ্ছায় ডুববো ।
আমি যে এখন সবকিছু ছেড়ে স্বার্থপর,
তাই এবার গ্যারান্টি দিচ্ছি নিশ্চিত আমি ডুববো।


https://www.bangla-kobita.com/sanjukolm/sink-into-selfishness/

শুক্রবার, ১২ জুলাই, ২০১৯

সবুজের পরিচর্যা - সঞ্জয় কুমার মুখোপাধ্যায়















সবুজের পরিচর্যা

         -সঞ্জয় কুমার মুখোপাধ্যায়


সবুজের পরিচর্যা করো,
এনে নিজের ঘরে,বাগানে বসাও।
ওদের সবুজকে মনের গভীরে নাও,
নিজের মনুষ্যত্ব জাগাও।

রোগ মুক্তির জন্য ওদের দরকার,
এখানে এখন আর সবুজ নেই কোথাও।
এখানে শুধু কালো ধোঁয়ার বলয়,
রোগের অভিশপ্ত দাবীকে গিলে খাওয়া দেখা যায় ।

সবুজের খরা চলছে মানবতায়,
তাই গাছ তুলে আনো,ঘরে এনে বসাও।
 চোখ যে সবুজ হতে চায়,
দেহ হতে চায় সবুজে ঘেরা মহীধর ।

আমরা নতুন করে বাঁচতে চাই,
শুধুই সবুজ মন নিয়ে এগিয়ে যেতে চাই।


সোমবার, ১৭ জুন, ২০১৯

ফুল তুলে নিতে - সঞ্জয় কুমার মুখোপাধ্যায়














ফুল তুলে নিতে
    -সঞ্জয় কুমার মুখোপাধ্যায়


হঠাৎ কোনো ঘরের এক চন্দ্রিমা অবগুণ্ঠনে,
সে এক ঝিনুকের খোলসের ভিতরে একমনে।
তাই অদ্ভুত এক ঈশ্বর এসে দাঁড়িয়েছেন,
সেই উঠোনে।

একদিকে টগর ফুলের স্তূপ,
অন্যদিকে অবরুদ্ধ অন্ধকূপ।
কার জন্য এসেছেন...
কেউ কি জানেন ?

কেউ জানে না তার কষ্ট কি করে হয় ?
জানো‌ কি ঈশ্বর এখন কেন ক্লান্ত তার দুটি পায় ?
তিনি অনেকটা পথ হেঁটেছেন।

উনি হেঁটেছেন পাহাড় থেকে সমতলে,
খাদের অতলে দুটি বিবর্ণ ফুল তুলে নিতে !
পাছে অন্ধকারে হারিয়ে না যায়...
 কাজে লাগে তার  পুজোয় ।

তবু কেন ঈশ্বর ক্লান্ত এতোটা পথ হেঁটে যেতে...
আসলে ঈশ্বরেরা এমনটিই হন..
চেষ্টা করেন যদি পারেন,গাছ থেকে পড়ে যাওয়া
দুটি ফুলকে এমনভাবেই তুলে নেন।



রবিবার, ১৬ জুন, ২০১৯

সুখের এক টুকরো হাসি - সঞ্জয় কুমার মুখোপাধ্যায়















সুখের এক টুকরো হাসি
      - সঞ্জয় কুমার মুখোপাধ্যায়


দুঃখ নদীর পাশেই একটা সবুজ গাছ,
সে অনেকটা আলোক ছায়া খেলে ।
সে দুঃখ পেয়ে দুঃখের কথা বলে..
কখনো আমায় দুঃখ দেয় !

সে অনেক কথা বলে ।
তার ওই দুঃখ মুখে...
কখনো জ্বলে উঠে সুখের হাসি ।

আমি একলা বসে থাকি নদীর পাশে,
ওই সবুজ গাছের কাছে ।
অপেক্ষায় থাকি রোজ,
কখন ফুটবে তার ওই দুঃখ মুখে-
এক টুকরো সুখের হাসি ।

ইচ্ছে অনন্ত কাল ধরে,
যেন ঐ নদীর পাশে গাছের কাছে
যেন দেখতে পাই ওই দুঃখ মুখের হাসি।



শনিবার, ১৫ জুন, ২০১৯














ঘরে ফেরা

সঞ্জয় কুমার মুখোপাধ্যায়


সবাই একদিন ঘরে ফেরে,
ঘুরে ফিরে একদিন নিজের ভুলকে দূরে ফেলে !
হয়তো বুঝতে ‌দেরী করে ।

অনেককিছুই হারিয়ে যায়,
তবু সব ভুলেকে বন্ধু করে পারি জমায়..
মনের মাঝে কত কিছু বয়ে যায়।

কিন্তু যখন ফিরে আসে,
একদিন সবকিছুই ভুলে যায় ।
কিছু ব্যথা, কিছু কথা মনে রয়ে যায়,
পরিবর্তনশীল জীবনে গা ভাসায়।

তবু একটি জীবন পোড়ে,কেবল পোড়ে,
নভস্থলে মেঘ  অঝরে বৃষ্টি কান্না হয়ে ঝরে পড়ে।


সুখের এক টুকরো হাসি -সঞ্জয় কুমার মুখোপাধ্যায়














সুখের এক টুকরো হাসি

          -সঞ্জয় কুমার মুখোপাধ্যায়


দুঃখ নদীর পাশেই একটা সবুজ গাছ,
সে অনেকটা আলোক ছায়া খেলে ।
সে দুঃখ পেয়ে দুঃখের কথা বলে..
কখনো আমায় দুঃখ দেয় !

সে অনেক কথা বলে ।
তার ওই দুঃখ মুখে...
কখনো জ্বলে উঠে সুখের হাসি ।

আমি একলা বসে থাকি নদীর পাশে,
ওই সবুজ গাছের কাছে ।
অপেক্ষায় থাকি রোজ,
কখন ফুটবে তার ওই দুঃখ মুখে-
এক টুকরো সুখের হাসি ।

ইচ্ছে অনন্ত কাল ধরে,
যেন ঐ নদীর পাশে গাছের কাছে
যেন দেখতে পাই ওই দুঃখ মুখের হাসি।


শুক্রবার, ১৪ জুন, ২০১৯

ওরা মানব ঈশ্বর গরিবের সম্বল -সঞ্জয় কুমার মুখোপাধ্যায়

















ওরা মানব ঈশ্বর গরিবের সম্বল

      -সঞ্জয় কুমার মুখোপাধ্যায়

এখন এই রোগ দেখছি দিনদিন বাড়ন্ত !
এমন একটা ভাবনা যখন হছে জীবন্ত...
যে খালি ধর্মঘটের বিশ্বাস সবকিছুকে করবে শান্ত ।

ঈশ্বরের পরে যারা পূজনীয়...বলি,
রাজনীতির নাগপাশে হচ্ছেন অসহিস্নুতার বলি ।
ওরা এখন মানুষের মুখোমুখি...।।
পাশে না থেকে শুধুই সংঘাতে মুখাপেক্ষী ।

জীবন যেমন সব সময় দামি,
মৃত্যু কখনো হয় অবশ্যম্ভাবী...।
তাই কথাটা একটু বুঝুন...
আজ অপমান অবিশ্বাস নিয়ে সবাই রাস্তায় করছে আত্মপক্ষ সমর্থন।

ওরাও তো মানুষ তারপর মানব ঈশ্বর,
অন্যায় দিয়ে ছোঁড়া একটা প্রস্তর কখনো হতে পারে না
ওদের পূজার অবলম্বন।

ভুলে গেলে হবে না গরিবদের ওরাই সম্বল,
দুর্দিনের ওরাই মনোবল।

তাই সরকারি রঙ ধর্ম ছেড়ে ,
বোকা বাক্সের উসকানি ভুলে মেরে...
হোক না বন্ধ সরকারি অবহেলা –
অন্যায় আরোগ্য নিকেতনে রাজনীতির খেলা। 


বৃহস্পতিবার, ১৩ জুন, ২০১৯

মেঘবৃষ্টির রূপ - সঞ্জয় কুমার মুখোপাধ্যায়

















মেঘবৃষ্টির রূপ

হারিয়ে যাওয়া এই মনের উপরে মেঘ আকস্মাৎ এসে দাঁড়ায়,
তখন তোমার প্রতিটা  কথা হয়ে ওঠে বৃষ্টির ফোঁটা,
কথাগুলো মনে আনে বর্ষাকাল,
ঝির ঝিরে চোখের জলে লিখে চলি কবিতা ।
মেঘ ভেসে বেড়ায় এক প্রান্ত হতে অপর প্রান্তে,
যেনো তাঁর মেরু বদলায় ।
অতীতের কত স্মৃতি পড়ে থাকে রাতের শয্যায়,
মন ভালোবাসার গন্ধ হাতড়ায় ।
আমি হাত বাড়িয়ে সেই মেঘবৃষ্টির রূপ দেখি,
মন মূহুর্তে হয়ে ওঠে বিরহী মেঘদূত,
মনে পড়ে থাকে ওই শ্রাবণের সন্ধ্যাটুকু ।
মনকে চেনার আগে আমরা কেন লিখিনা প্রেমের কবিতা ?
কিন্তু কেউ লিখে রেখেছে আকাশে,
সেই ভালোবাসার কবিতায় রচনা করেছে এই বৃষ্টি !
ডেকে এনেছে...তোমাকে
এই ভরা ভালবাসার আবেগে বইছে মনে দুকূল ছাপানো বর্ষা ।

সাম্প্রতিক লেখা কবিতা

ঘর বেঁধেছে ঝড়ের পাখি / রঙ্গনা পাল /পর্ব-৪০

ঘর বেঁধেছে ঝড়ের পাখি/ রঙ্গনা পাল / পর্ব-৪০         অতীত হোক বা বর্তমান নারী চিরকাল পুরুষের ভালোবাসায় বশ। হ্যাঁ কেউ কেউ কখনও কখনও ছলনা করে ...