জীবনবোধ লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান
জীবনবোধ লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান

সোমবার, ২৭ জুলাই, ২০২০

ও তো কৃষ্ণকলি মহাতো নয়... তবে ? -সঞ্জয় কুমার মুখোপাধ্যায়
















ও তো কৃষ্ণকলি মহাতো নয়... তবে ?
          -সঞ্জয় কুমার মুখোপাধ্যায়

আমি হতে চাইনি
এক লাফে মন্দিরের উচ্চতায় উঠে যেতে।
আমিও এতদিনে হয়েছি সংক্রমিত নেপথ্যে  
তাইতো লোলুপ ভাবনায় ইচ্ছে জেগেছিল তোমার সব অজানাকে জানতে
খ্যাতির চুড়োয় বসে নকল প্রেমিক হতে।

তবু জানতাম, না এটাই আমার স্বভাব, 
চরিত্র নিয়ে আঁকিবুঁকি খেলা আমার তো পেশা আর নেশা।
খেলতে খেলতে বুঝি নি, আবার
কৃষ্ণকলি মহাতো কখন হবে সত্য!
আমি জানতাম এমনটাও হয় ।

শুধু ওরা জানতো না অক্ষর স্রমিকের কলমের সাথে
পরিযায়ী ঘর লাগে, সঙ্গী লাগে ।

 এগুলোই বুঝতে চাইছিলাম
খবরের কাগজের পাতায় পাতায়
টিভির খবর দেখে সময় সময়
সব শুনলাম...

তারপর মনে পড়লো
পাশের বাড়ির ছেলেটাকে পুলিশ নিয়ে গিয়েছিল
সে নাকি পড়তে আসা মেয়েটাকে নষ্ট করতে গিয়েছিল।
মনে হল ও তো কৃষ্ণকলি মহাতো নয়... তবে ?

রবিবার, ২৬ জুলাই, ২০২০

বৃত্তের বাইরে -সঞ্জয় কুমার মুখোপাধ্যায়










বৃত্তের বাইরে
   -সঞ্জয় কুমার মুখোপাধ্যায়

কিছু শব্দ মাথায় আসছে,
নতুন করে বুঝতে হচ্ছে !
সাংবিধানিক আচার,
কাঠামোর ভিত্তি, বিজ্ঞাপনের যুক্তি,
সবেতে এইমুহুর্তে একটি জলীয় আস্তরণ !

কেউ কাগজে কলমে বিশ্বাসী,
কেউ আবার আপন স্বার্থে আত্মবিশ্বাসী!

সে-ও রোজ কিছু লেকচার লিখে চলেছে,
এই দুঃসময়ে বন্ধু কেউ সাহায্য চাইলে বলছে 
ছন্দের পতন ঘটেছে,
তার কথায় অক্ষরের নাকি অবাধ্য আচরণ !

রাজনীতিতে স্বজনপোষণ,দোষ গুণের, 
একটু উর্ধে উঠে একটা কথা প্রাণের।
বিন্দু বিন্দুতে সিন্ধু তৈরি হয়,
তাই চেষ্টা না হয় করি একটু সাহায্যের সমবায়।

পরিচিত বৃত্তের বাইরে এসে নিজেকে পড়ি,
দেখোই না এই সহায়তাটুকুই করতে পারি ।


ছলনা -সঞ্জয় কুমার মুখোপাধ্যায়














ছলনা
 -সঞ্জয় কুমার মুখোপাধ্যায়

এতোগুলো দিন কেটে গেল,
কত রোদ্দুর ছায়ায় রোজ সময় কেটে গেল।
তবু ছোট্ট আকাশে সীমারেখা টানা গেল না !
এ পথ সে পথ ঘুরে,
কেন মায়াহীন মিছে এই ছলনা ?
                        
একটা আয়না চাইলাম নিজেকে দেখবার,
সেও লুকিয়ে রাখতে হবে বারংবর !
তুমি আকাশের মানেটা বুঝতে পারোনি,
ওটার ব্যাপ্তি হয়তো বোঝোনি ।

আমি ছাড়া তোমার পৃথিবী হয় না,
জানো না বয়ে আসা অবিশ্বাসী বাতাস জীবানু বয়ে আনে,
অবিশ্বাস নিয়ে তাই ওই পথে চলো না !
বাঁধ ভাঙা গেলে ঘরে প্লাবন ডেকে আনে।

আমার আকাশে নক্ষত্রের মতো জ্বলতে,
তোমাকেই সীমারেখা টানতে হতো।
একটা আয়না নিয়ে নিজেকে না হয় দেখতে

দেওয়ালে এপিঠ ওপিঠ দুই সমান হতো।

বিশ্বাসে নিঃশ্বাস -সঞ্জয় কুমার মুখোপাধ্যায়















বিশ্বাসে নিঃশ্বাস
         -সঞ্জয় কুমার মুখোপাধ্যায়

বিশ্বাস নিঃশ্বাসের মতন,
যাওয়া আসার পথে একটা নিয়ম চাই।
একটু এদিক ওদিক হলেই,
হয় পদস্খলন,না হলে মরণ ।

শিকড়ের পচনের কেউ খোঁজ রাখি না,
খালি ভাবি নতুন পাতা আসছে কি ?
আমরা শুধু ফুল ফল নিয়ে বেঁচে থাকি !
অথচ ভিত্তিপ্রস্তর নিয়ে মাথা ঘামাই না।

স্তম্ভের উপর যে ভবিষ্যত মজবুত করে গড়ে,
তাকে হারিয়ে ফেলি ক্রমশই ।
অবিশ্বাস এখান ওখানে হাঁতরে বেড়াই,


শেষমেশ দমবন্ধ পরিবেশে সবটাই মারা পড়ে।













শনিবার, ২৫ জুলাই, ২০২০

শান্তিনিকেতন বার্তা - সঞ্জয় কুমার মুখোপাধ্যায়













শান্তিনিকেতন বার্তা
সঞ্জয় কুমার মুখোপাধ্যায়


আজ আবার হারিয়ে গিয়েছিলাম,
ভোর হতেই আবার স্বপ্নভঙ্গ !

সারাদিন শুনেছি মেঘেদের ক্রন্দন,
বৃষ্টির জল ঝরেছে পাহাড় থেকে সমতলে।

রবি আজ সারাদিন অস্তাচলে,
তাই কিছুটা তার অক্ষর সংলাপ।

শুনতে পাই গীতাঞ্জলির ক্রন্দন,
শান্তিনিকেতন বার্তা !

তবে মাটির বুকে পায়ের চিহ্নগুলো আছে।
আছে দেশ ও দশের গান।

আজ‌ও ছোট ছোট নদী গুলো ব‌ইছে আঁকে বাঁকে,

কাজ করে চলেছি পুরাতন ভৃত্যের মতন ।


https://www.bangla-kobita.com/sanjukolm/news-of-santiniketan/


আমার পতাকাটি বুকে নিয়ে - সঞ্জয় কুমার মুখোপাধ্যায়














আমার পতাকাটি বুকে নিয়ে
-সঞ্জয় কুমার মুখোপাধ্যায়

আজ স্বাধীনতা,
বলব হে স্বাধীনতা তুমি দীর্ঘজীবী হও...।

ভাবছি আর লিখবো না এই পরাধীন জীবনে কবিতা,
রোজ ইচ্ছে করে আমার পতাকাকে নিজের বুকে আঁকরে নিতে।
বাহাত্তর বছরের অভিমান সব মুছে দূরে রেখে আজ,
বলব-এই পঞ্চাশে স্বপ্ন ব্যর্থ না সার্থক সেটা এখন প্রশ্ন !

তবু ইচ্ছে ছিল, একটিবার আমার পতাকা বুকে পেলে,
জড়িয়ে নিতাম...নিজের বুকের মাঝে।
হয়তো রোজ রাতের আকাশে অমৃতাংশু জ্যোৎস্না দিত,
জনগণমন-অধিনায়ক জয় হে...
আবহ জাতীয় বুকের মাঝে শুনতে পেতাম।

যদি আমার পতাকাটি বুকে নিতাম,
ভূমিহীন মানুষেরা ঘর বাঁধত,
প্রতিবিম্ব হীনেরা নিজেদের আয়নায় দেখত
রোজ যুদ্ধের ধোঁয়া,ধর্মের গোঁতা খেতাম না।

যদি আমার পতাকা বুকে নিতাম,
রাস্তায় আর লাল আলোর দেখতাম না সমারহ
দেখতাম না সরকারি নল দিয়ে 
অনাদরে বয়ে যাওয়া গঙ্গাজলের প্রবাহ !
দেখতাম না মায়ের বুকের লাঞ্ছনার প্রতিবাদ
সারিবদ্ধ কিছু মোমবাতির আলোয় নিয়ে পথ চলা ।

যদি আমার পতাকা বুকে পেতাম,
সব বেদনা সঞ্চয় করতাম,সবাই মিলেমিশে যৌথ পরিবারে,
আর সব সুখ সমভাবে ভাগ করে নিয়ে যেতাম ঘরে।

তবু বলবো,হে স্বাধীনতা তুমি বেঁচে থাকো
আমার বেঁচে থাকায়, স্বপ্নে, প্রেমে, কলমের লেখায়,
মুখের ভাসায়,যৌবনে লেখা কবিতায় 
ঠিক আমার মতন করে ।



স্বাধীনতা তোমাকে চাই - সঞ্জয় কুমার মুখোপাধ্যায়













স্বাধীনতা তোমাকে চাই
- সঞ্জয় কুমার মুখোপাধ্যায়

স্বাধীনতা তোমাকে আজ আবার পেলাম,
অনাবৃত দেহ নিয়ে লজ্জায় নত মস্তকে !

দেখি চারিপাশে এখনও চলছে রক্তস্নান,
ছেলে ভোলাবার চাঁদের জয়গান...!

নেই মাটিতে পা ওদের,
           এখনও উঁচু নিচু অসমান্তরাল।
উলঙ্গপনা আর আত্ম‌ অহংকার,
           গড়ছে অহরহ বিভেদ শৃঙ্খল।

স্ত্রীলিঙ্গ নিজেকে হারায় জন্মের সূচনায় ?
হারায় যৌথ সমবায় প্রাদেশিক সীমানায় ?
হারিয়ে যায় একটা শিশু শ্রমের বিনিময়ে ?

স্বাধীনতা তুমি বেঁচে শুধু....
           ফুল ফোটায়,মেঘেদের কান্নায়।
রোজ দিবাকরের আলোতে,
            অমৃতাংশুর জোছনায়।

আমি তাই আজ‌ও স্বাধীন হবার স্বপ্ন দেখি,
আয়নায় বারবার নিজের প্রতিবিম্ব দেখি।



বেঁচে আছি নূন্যতম - সঞ্জয় কুমার মুখোপাধ্যায়















বেঁচে আছি নূন্যতম

- সঞ্জয় কুমার মুখোপাধ্যায়


ঝড় এসেছিল চলেও গেছে বহুক্ষণ,
কেবল নাড়িয়ে দিয়ে গেল বেশকিছু মন!
জলমগ্ন রাস্তায় পড়ে থাকা নিথর মৃতদেহ,
বৈদ্যুতিক পোলে চাপা পড়া বিদ্যুৎপৃষ্ট দেহ
অনেককিছু বলে দিয়ে যায়,
          নিশ্চয়ই বাড়াচ্ছে মনের সন্দেহ ?

চারিপাশে মাটির ঘরের মাটিতে মিশে যাওয়া,
টিনের চাল উড়ে যেতে বিনিদ্র প্রহর কাটা
এতোকিছু যখন চোখের দৃষ্টিতে হচ্ছে অমূলক
রাজকক্ষে বসে মিথ্যাই বলে চলুক খলনায়ক !

রক্ত না ঝরলে ধরতে হবে ক্ষতি নূন্যতম,
নূন্যতম ক্ষতিগ্রস্ত মনে বিষাদের ছায়াও হয় নূন্যতম!

সবেতেই ইচ্ছেগুলো চাওয়া পাওয়ার কব্জা,
তাই কি হঠাৎ উড়ে গেল মন্দিরে বিশ্বাসের ধ্বজ্জা,
বোঝো ক্রমশ কেন ভাঙছে মানুষের মানবিক মজ্জা।
এতটুকু কি নেই এদের মনে বিন্দুমাত্র লজ্জা !
শুধুই কি উড়াতে হবে আপন বিজয়ের ধ্বজ্জা ?

এদের খালি পড়ে আছে অনেকদিনের বেহিসাবি পরিচর্যা,
গড়ে ওঠা বন্ধুত্বের সম্পর্কগুলো নিয়ে মিথ্যার সজ্জা।

এখন শুধু চারিপাশের যারা না মরে বেঁচে নূন্যতম,
রক্তাক্ত হয় নি হয়তো এখনো নূন্যতম  ,
তাই মৃত্যুর সাক্ষী নিয়ে বেঁচে আছে নূন্যতম ।


মঙ্গলবার, ১৪ এপ্রিল, ২০২০

নিঃস্তব্ধ নৈরাজ্য-সঞ্জয় কুমার মুখোপাধ্যায়














নিঃস্তব্ধ নৈরাজ্য
সঞ্জয় কুমার মুখোপাধ্যায়

একক হতে সহস্র লাখ,
সূচনা যেখানে শূন্য ।
বুঝতে কতই না সহজ,
তবু হয় না কেন‌ বোধগম্য !

কাগজে কলমে পরিসংখ্যান যত,
রবারের ব্যবহারে সেটিই মিথ্যা,অসামান্য !
যতই দেখাতে চাও না কেন,
সবটাতেই পাচ্ছি খুঁজে তারতম্য। 

গরিবের থালায় দুবেলার খাদ্যে, 
পাচ্ছি অমিল,চলছে চরম নিস্তব্ধে নৈরাজ্য।
ব্যারিকেড না মেনে কেটেছে হাত, 
দেশের কোন এক অসহ্য অবাধ্য !

ঘরের সমস্যা যখন বিদেশ মেটাবে
তুমি কি তবে অদৃশ্য প্রতিশ্রুতিবদ্ধ ?
সবটাই যদি চলছে ঠিক তবে প্রশ্ন,
গঙ্গাবক্ষে কুন্তী সমেত পঞ্চ পান্ডবের জীবন 

কেন হলো বিপন্ন ?

মঙ্গলবার, ৭ এপ্রিল, ২০২০

বাঁচবেই শহর চিরকাল-সঞ্জয় কুমার মুখোপাধ্যায়
















বাঁচবেই শহর চিরকাল
সঞ্জয় কুমার মুখোপাধ্যায়

চেনা শহরের
গতি অগ্ৰগতি হয়েছে নিস্তব্দ ।
দিনগুলো ক্রমশঃ নৈঃশব্দ্যে পরিপূর্ণ
চেনা মুখ অচেনা মুখ সব ঐক্যবদ্ধ !

এক একটা ভয়ের অশনিসংকেত,যত খেদ
ঘন্টা মোমবাতির আলোয় আনছে বিভেদ !
তবু শত শ্বাসকষ্টে এতো মুখের হাসি
পড়ার মোড়, ঘরের দোর এখন‌ সব পাশাপাশি।

শুধু লোকগুলো আছে দূরে
প্রাণের তাগিদে একে অপরের বৃত্ত ঘিরে ।
পৃথিবীতে অচেনা কথা উড়ছে হাওয়ায়,
নতুন করে দেখছি মেধার অপচয় ।

জন্মের সময় নাকি হয় মৃত্যু দিন ছিল নিশ্চিত,
আচমকা হাতছানিতে তাই শুনি সাম্যের সঙ্গীত।

 তাই জানি,শুনছি বহুকাল
চাল ডাল কিছুর ছিলোনা অভাব আজন্মকাল ।

তবু একটা চুড়ান্ত ক্ষমতার নেশায়,
সবকিছু ছেয়ে দিচ্ছে নিস্তব্ধ নিরাশায় ।

তবে এই শহরকে আমি চিনি চিরকাল,
আমি জানি আনন্দের এই শহর লড়াইতে সবল।
এই শহর নিশ্চিত বাঁচবে ততকাল,
যতদিন সৌরমন্ডলে সত্য গ্ৰহকাল।






শনিবার, ২৮ সেপ্টেম্বর, ২০১৯

তোদের হাতে সময় আছে- সঞ্জয় কুমার মুখোপাধ্যায়














মঙ্গলকোট.কম
হোম
তোদের হাতে সময় আছে - সঞ্জয় কুমার মুখোপাধ্যায়
Saturday, 28 Sep, 1.10 am


সেদিনে কলেজের অন্দরমহলে,
যারা ভাঙা-গড়ার খেলায় ছিল মত্ত !
তাদের বলছি.

বৃষ্টির আগে আকাশের মেঘ ছিল কালো,
নোংরা মাটিও ছিল।
আমরা জানতাম বর্ষা এলে সবটাই ধুয়ে হবে পরিষ্কার,
আকাশ দেবে আলো স্বচ্ছতার সাগর।

গাছের পাতা ঝড়ে পড়ে,
আবার কচিপাতা আসে নতুন,
সবটাই পুরাতনের নবীকরণ।

আমারা আছি সেই পথে, মাটিতে মিশেও যাই,
আবার আসি নতুন করে পরিচয় খুঁজে পাই !
শুধু তাঁর কাজ,ভাবনা ব্যবহার খুঁজে ফিরে বেড়াই ।

সাগর তাঁর বিশাল জলরাশি নিয়ে শরীরে বইছেন,
তাঁর দয়ায়, জলবিন্দু মনের মধ্যে আঁকে অক্ষরমালা।
তাই এখনও তোমরা যদি সময় পাও,
একমুঠো জল নিয়ে মুখে দিও ।
তাহলে পাবে তোমাদের পিতার রচিত শব্দের তর্পণ।।





https://m.dailyhunt.in/news/india/bangla/mongalkote+com-epaper-maglkot/toder+hate+samay+aache+sanyjay+kumar+mukhopadhyay-newsid-138992320?pgs=N&pgn=7&tk=0&mode=wap&s=dux&ss=pd



শনিবার, ৩ আগস্ট, ২০১৯

মাঝ রাতের স্বপ্ন - সঞ্জয় কুমার মুখোপাধ্যায়










মাঝ রাতের স্বপ্ন
- সঞ্জয় কুমার মুখোপাধ্যায়



হলো না সবকিছু সারা,
হয়তো সুখের ঘরের স্বপ্ন গড়া ।
দাঁড়িয়ে মিছেই দেখছি জোড়া তাপ্পি দিয়ে খেলা,
কালো মেঘ আসে আর বৃষ্টিতে ভাসে !

জীবন দাড়িপাল্লায় ঝোলে,
লাভ ক্ষতির হিসেব নিকেষ করে।
মূলধন অনেক ছিল...তবু
শুধুই পড়ে আছে সুদকষার অংকগুলো।

হারিয়ে গেছে সবকিছু !
রেখে গেছে নামমাত্র স্মৃতির মন,
ঠিক ভোটের পড়ে দেয়াল লিখন।

আপাতত কোন এক নিঝুম রাতে,
অরণ্যের অন্ধকারে একাকীত্ব জীবন
কোনো এক মধ্যরাতে,
জোস্না দেখার লোভে দগ্ধ হয়ে মন।
https://www.bangla-kobita.com/sanjukolm/mid-night-dream/

মঙ্গলবার, ৩০ জুলাই, ২০১৯

হারিয়ে না যাই -সঞ্জয় কুমার মুখোপাধ্যায়










হারিয়ে না যাই

-সঞ্জয় কুমার মুখোপাধ্যায়


দুই হাতে অজান্তে কালি মেখেছি,
                           বহুদিন হলো ।
তবু ভাবনাগুলো অধরা ছিল,
       দূরে রেখেছিলাম নিজেকে ।

এখন পাহাড় চূড়া থেকে নিচে দেখলে
                         অতল গহ্বর দেখি ।
ভাবী হারিয়ে গেছি গহন অন্ধকারে,
      গভীর গাছের নিচে পাথরের মত।

শখ আল্লাদ পূরণ হয় না সবার,
              দুটো মানুষ যখন ভিন্ন।
তবু গাছের গভীরতা শান্তির ছায়া দেয়,
            মানুষ হবার পথ দেখায়।

পাছে হারিয়ে না যাই গহন অন্ধকারে।



https://www.bangla-kobita.com/sanjukolm/do-not-get-lost/

মঙ্গলবার, ১৬ জুলাই, ২০১৯

স্বার্থপরতায় ডুববো-সঞ্জয় কুমার মুখোপাধ্যায়











স্বার্থপরতায় ডুববো
         -সঞ্জয় কুমার মুখোপাধ্যায়


মাথা অবধি না হয় ডুবলাম,
ভাবছি দেখি না কেমনটা হয় !
এতদিন শুধু স্বপ্নের ভাবনাতে ভেসেছি,
তাই জীবনের জমা-খরচের হিসেব নেই।

একসময় সবাই বলতো ভালো,
আদর,আপ্যায়ন,নিমন্ত্রণ সবই ছিলো যেমন দিনের আলো।
জীবনের প্রথমার্ধে বোধহয় এমনটাই হয় !
এবার হয়তো এক আঘাতে ডুববো।

সবশেষে একটা মুক্তির,স্বাধীনতার আনন্দ আছে,
কিন্তু সে আর বুঝবে কে ‌?
হোক না তাতে স্বার্থের বলি আশেপাশের সব ।

একরকম জীবন যে সবার জন্য নয়,
তাই এবার নিশ্চিত স্বেচ্ছায় ডুববো ।
আমি যে এখন সবকিছু ছেড়ে স্বার্থপর,
তাই এবার গ্যারান্টি দিচ্ছি নিশ্চিত আমি ডুববো।


https://www.bangla-kobita.com/sanjukolm/sink-into-selfishness/

সাম্প্রতিক লেখা কবিতা

ঘর বেঁধেছে ঝড়ের পাখি / রঙ্গনা পাল /পর্ব-৪০

ঘর বেঁধেছে ঝড়ের পাখি/ রঙ্গনা পাল / পর্ব-৪০         অতীত হোক বা বর্তমান নারী চিরকাল পুরুষের ভালোবাসায় বশ। হ্যাঁ কেউ কেউ কখনও কখনও ছলনা করে ...