দেশাত্মবোধক লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান
দেশাত্মবোধক লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান

শনিবার, ২৫ জুলাই, ২০২০

আমার পতাকাটি বুকে নিয়ে - সঞ্জয় কুমার মুখোপাধ্যায়














আমার পতাকাটি বুকে নিয়ে
-সঞ্জয় কুমার মুখোপাধ্যায়

আজ স্বাধীনতা,
বলব হে স্বাধীনতা তুমি দীর্ঘজীবী হও...।

ভাবছি আর লিখবো না এই পরাধীন জীবনে কবিতা,
রোজ ইচ্ছে করে আমার পতাকাকে নিজের বুকে আঁকরে নিতে।
বাহাত্তর বছরের অভিমান সব মুছে দূরে রেখে আজ,
বলব-এই পঞ্চাশে স্বপ্ন ব্যর্থ না সার্থক সেটা এখন প্রশ্ন !

তবু ইচ্ছে ছিল, একটিবার আমার পতাকা বুকে পেলে,
জড়িয়ে নিতাম...নিজের বুকের মাঝে।
হয়তো রোজ রাতের আকাশে অমৃতাংশু জ্যোৎস্না দিত,
জনগণমন-অধিনায়ক জয় হে...
আবহ জাতীয় বুকের মাঝে শুনতে পেতাম।

যদি আমার পতাকাটি বুকে নিতাম,
ভূমিহীন মানুষেরা ঘর বাঁধত,
প্রতিবিম্ব হীনেরা নিজেদের আয়নায় দেখত
রোজ যুদ্ধের ধোঁয়া,ধর্মের গোঁতা খেতাম না।

যদি আমার পতাকা বুকে নিতাম,
রাস্তায় আর লাল আলোর দেখতাম না সমারহ
দেখতাম না সরকারি নল দিয়ে 
অনাদরে বয়ে যাওয়া গঙ্গাজলের প্রবাহ !
দেখতাম না মায়ের বুকের লাঞ্ছনার প্রতিবাদ
সারিবদ্ধ কিছু মোমবাতির আলোয় নিয়ে পথ চলা ।

যদি আমার পতাকা বুকে পেতাম,
সব বেদনা সঞ্চয় করতাম,সবাই মিলেমিশে যৌথ পরিবারে,
আর সব সুখ সমভাবে ভাগ করে নিয়ে যেতাম ঘরে।

তবু বলবো,হে স্বাধীনতা তুমি বেঁচে থাকো
আমার বেঁচে থাকায়, স্বপ্নে, প্রেমে, কলমের লেখায়,
মুখের ভাসায়,যৌবনে লেখা কবিতায় 
ঠিক আমার মতন করে ।



স্বাধীনতা তোমাকে চাই - সঞ্জয় কুমার মুখোপাধ্যায়













স্বাধীনতা তোমাকে চাই
- সঞ্জয় কুমার মুখোপাধ্যায়

স্বাধীনতা তোমাকে আজ আবার পেলাম,
অনাবৃত দেহ নিয়ে লজ্জায় নত মস্তকে !

দেখি চারিপাশে এখনও চলছে রক্তস্নান,
ছেলে ভোলাবার চাঁদের জয়গান...!

নেই মাটিতে পা ওদের,
           এখনও উঁচু নিচু অসমান্তরাল।
উলঙ্গপনা আর আত্ম‌ অহংকার,
           গড়ছে অহরহ বিভেদ শৃঙ্খল।

স্ত্রীলিঙ্গ নিজেকে হারায় জন্মের সূচনায় ?
হারায় যৌথ সমবায় প্রাদেশিক সীমানায় ?
হারিয়ে যায় একটা শিশু শ্রমের বিনিময়ে ?

স্বাধীনতা তুমি বেঁচে শুধু....
           ফুল ফোটায়,মেঘেদের কান্নায়।
রোজ দিবাকরের আলোতে,
            অমৃতাংশুর জোছনায়।

আমি তাই আজ‌ও স্বাধীন হবার স্বপ্ন দেখি,
আয়নায় বারবার নিজের প্রতিবিম্ব দেখি।



বেঁচে আছি নূন্যতম - সঞ্জয় কুমার মুখোপাধ্যায়















বেঁচে আছি নূন্যতম

- সঞ্জয় কুমার মুখোপাধ্যায়


ঝড় এসেছিল চলেও গেছে বহুক্ষণ,
কেবল নাড়িয়ে দিয়ে গেল বেশকিছু মন!
জলমগ্ন রাস্তায় পড়ে থাকা নিথর মৃতদেহ,
বৈদ্যুতিক পোলে চাপা পড়া বিদ্যুৎপৃষ্ট দেহ
অনেককিছু বলে দিয়ে যায়,
          নিশ্চয়ই বাড়াচ্ছে মনের সন্দেহ ?

চারিপাশে মাটির ঘরের মাটিতে মিশে যাওয়া,
টিনের চাল উড়ে যেতে বিনিদ্র প্রহর কাটা
এতোকিছু যখন চোখের দৃষ্টিতে হচ্ছে অমূলক
রাজকক্ষে বসে মিথ্যাই বলে চলুক খলনায়ক !

রক্ত না ঝরলে ধরতে হবে ক্ষতি নূন্যতম,
নূন্যতম ক্ষতিগ্রস্ত মনে বিষাদের ছায়াও হয় নূন্যতম!

সবেতেই ইচ্ছেগুলো চাওয়া পাওয়ার কব্জা,
তাই কি হঠাৎ উড়ে গেল মন্দিরে বিশ্বাসের ধ্বজ্জা,
বোঝো ক্রমশ কেন ভাঙছে মানুষের মানবিক মজ্জা।
এতটুকু কি নেই এদের মনে বিন্দুমাত্র লজ্জা !
শুধুই কি উড়াতে হবে আপন বিজয়ের ধ্বজ্জা ?

এদের খালি পড়ে আছে অনেকদিনের বেহিসাবি পরিচর্যা,
গড়ে ওঠা বন্ধুত্বের সম্পর্কগুলো নিয়ে মিথ্যার সজ্জা।

এখন শুধু চারিপাশের যারা না মরে বেঁচে নূন্যতম,
রক্তাক্ত হয় নি হয়তো এখনো নূন্যতম  ,
তাই মৃত্যুর সাক্ষী নিয়ে বেঁচে আছে নূন্যতম ।


ভুল সংশোধন / সঞ্জয় কুমার মুখোপাধ্যায়














ভুল সংশোধন

সঞ্জয় কুমার মুখোপাধ্যায়

মনে পড়ছে অতীতের একটা সময়,
যখন সবার বুকের বামদিক প্রাধান্য পায়।
আসলে ওটা ভালোবাসবার স্থান,
যেখানে অক্সিজেন বয়ে আনে বিশুদ্ধ প্রেম !

অতীতে সবার মনে আলোড়ন উঠেছিল,
হাত মুষ্ঠিবদ্ধ করে একসাথে পথে হেঁটেছিলাম।
গড়ে তুলেছিলাম এক বিশাল জনশক্তি,
ভুল হলেও স্বীকারোক্তি ছিল,ছিল সংশোধন ।

তারপর আস্তে আস্তে ডানদিক আধিপত্য নেয়,
অবশ্যই কিছু ভুল ছিল ভাবনায় !
এখন অনেকটা চলার পথ পার করে,
সবাই দেখছে কিছু ডানাকাটা পাখির জীবন।

খাঁচা আর গরাদ নতুন কিছু নয়,
নিজ মুখে কমবেশি যারা স্বাধীন,তারাই দেখেছে।
সমষ্টিগত বলে কিছু ভাবলেই ইদানিং পাচ্ছি ভয়,
ভাবছি হয় গারদ না, হলে আইসোলেশনে যেতে হয় !

আমিও এখন তাই ভাবছি,
গণতন্ত্র,প্রজাতন্ত্র নতুন সংজ্ঞা আনছে নিঃশব্দে,
একটা সংক্রমনের শেষদিনে

মানুষ সবকিছু নতুন করে চিনবে মনেপ্রাণে।

https://www.bangla-kobita.com/sanjukolm/error-correction/

মঙ্গলবার, ৬ সেপ্টেম্বর, ২০১৬

কোলকাতা-সঞ্জয় কুমার মুখোপাধ্যায়

কোলকাতা
- সঞ্জয় কুমার মুখোপাধ্যায়

তুমি আমার প্রানের শহর,তুমি তিলোত্তমা,
তোমার স্পন্দনে মনে জাগে ভালোবাসার ছোঁয়া।
দিনের শুরুতে প্রাণোচ্ছল,তুমি রাতের পরী
বহু কষ্ট আর লাঞ্ছনার তুমি যুগ যুগের প্রতীক ।

কত ইতিহাস তোমার নিয়ে গল্পের মালা গাঁথে,
মানুষ আর ভালোবাসা নিয়ে তোমার গতিপথে।
আনন্দের শহর তুমি,তুমি প্রথম প্রেমের সাথী,
আমার মনে তুমি জ্বালাও রাতের আগরবাতি।

তিনশো বারো বৎসরে শেষে অনেক কথা সবার মনে
তোমার জন্ম যে সাবর্ণদের তিনটি গ্রাম নিয়ে
সুতানটি,গোবিন্দপুর কালিকাতা মিলে
তুমি আমার প্রানের শহর তুমি কোলকাতা ।

২৪ শে আগাস্ট ১৬৯০ নিমতা ঘাটের কাছে,
গোরা এক সাহেব এসেছিলেন তোমার জনক রুপে।
জব চারনক নামটি তার ইতিহাস যে তাই বলে,
আজ যখন তোমায় দেখি দুই নয়ন মেলে।

তুমি আছো নব রুপে সবার প্রানের মাঝে
তুমি মোদের প্রাণের শহর কোলকাতা কলকাতাতেই।


সাম্প্রতিক লেখা কবিতা

ঘর বেঁধেছে ঝড়ের পাখি / রঙ্গনা পাল /পর্ব-৪০

ঘর বেঁধেছে ঝড়ের পাখি/ রঙ্গনা পাল / পর্ব-৪০         অতীত হোক বা বর্তমান নারী চিরকাল পুরুষের ভালোবাসায় বশ। হ্যাঁ কেউ কেউ কখনও কখনও ছলনা করে ...